ডেঙ্গু হলে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি নিয়ে রোগী ও পরিবারের সদস্যরা চিন্তিত থাকেন, তার একটি হলো রক্তের প্লেটলেট কমে যাওয়া। অনেক সময় প্লেটলেটের সংখ্যা দ্রুত কমতে দেখে রোগী ভাবেন, এখনই কোনো বিশেষ খাবার বা ওষুধ খেয়ে প্লেটলেট বাড়াতে হবে। কিন্তু ডেঙ্গুতে বিষয়টি একটু ভিন্ন।
ডেঙ্গুতে প্লেটলেট কমে যাওয়া রোগটির স্বাভাবিক অংশ হতে পারে এবং সুস্থ হওয়ার পর্যায়ে শরীর নিজেই ধীরে ধীরে প্লেটলেট তৈরি করে। তাই শুধু প্লেটলেটের সংখ্যা নয়, রোগীর সামগ্রিক অবস্থা, রক্তপাত হচ্ছে কি না, হেমাটোক্রিট, পানিশূন্যতা এবং অন্যান্য সতর্কতামূলক লক্ষণও গুরুত্বপূর্ণ।
এই লেখায় আমরা জানব, ডেঙ্গুতে প্লেটলেট কেন কমে, কী খাবার খাওয়া ভালো, পেঁপে বা পেঁপে পাতার ভূমিকা কতটুকু, কোন খাবার এড়িয়ে চলা উচিত এবং কখন দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।
ডেঙ্গুতে প্লেটলেট কমে যায় কেন?
রক্তের প্লেটলেট বা থ্রম্বোসাইট রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শরীরে কোথাও রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্লেটলেট সেখানে গিয়ে রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে।
ডেঙ্গু সংক্রমণের সময় বিভিন্ন কারণে প্লেটলেটের সংখ্যা কমে যেতে পারে। তাই CBC পরীক্ষায় প্লেটলেট কম পাওয়া ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে বেশ সাধারণ বিষয়। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার – শুধু প্লেটলেটের সংখ্যা দিয়ে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বিচার করা যায় না।
অনেকে মনে করেন, প্লেটলেট ১ লাখ থেকে ৫০ হাজারে নামলেই বিপদ, আর ৫০ হাজারের নিচে গেলেই প্লেটলেট দিতে হবে। বিষয়টি এত সরল নয়।
রোগীর রক্তপাত, রক্তচাপ, হেমাটোক্রিট, প্রস্রাবের পরিমাণ, পানিশূন্যতা এবং সামগ্রিক শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের CDC-এর বর্তমান ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন অনুযায়ী, শুধু কম প্লেটলেটের কারণে নিয়মিতভাবে প্রতিরোধমূলক প্লেটলেট ট্রান্সফিউশন করার পরামর্শ দেওয়া হয় না।
ডেঙ্গুতে প্লেটলেট বাড়াতে কী খেতে হবে
ডেঙ্গুর জন্য এমন কোনো নির্দিষ্ট খাবার নেই যা খেলেই দ্রুত প্লেটলেট বেড়ে যাবে। তবে সঠিক খাবার শরীরকে প্রয়োজনীয় পানি, ক্যালরি, প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ সরবরাহ করে এবং সুস্থ হওয়ার সময় শরীরকে সহায়তা করে।
১. পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার

ডেঙ্গুতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করা। যেসব পানীয় খেতে পারেন:
পানি
ডেঙ্গুতে পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জ্বর, ঘাম বা বমির কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই সারাদিন অল্প অল্প করে পানি পান করুন। একসঙ্গে বেশি পানি পান না করে বারবার পান করা ভালো। তবে অতিরিক্ত পানি পান করার প্রয়োজন নেই; রোগীর অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করুন।
ডাবের পানি
ডাবের পানি ডেঙ্গু রোগীর জন্য একটি ভালো তরল খাবার হতে পারে। এতে পানি ও কিছু ইলেক্ট্রোলাইট থাকে। তবে ডাবের পানি কোনো প্লেটলেট-বাড়ানোর ওষুধ নয়। এটি মূলত শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করতে পারে।
ওরস্যালাইন/ORS
ডেঙ্গুতে জ্বর, ঘাম, বমি বা ডায়রিয়ার কারণে শরীর থেকে পানি ও প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রোলাইট কমে যেতে পারে। এ সময় ওরস্যালাইন বা ORS শরীরে পানি ও লবণের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। প্যাকেটের নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক পরিমাণ পানিতে ORS মিশিয়ে অল্প অল্প করে পান করুন।
পাতলা ডাল
ডেঙ্গুর সময় পাতলা ডাল একটি সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার হতে পারে। এতে পানি, উদ্ভিজ্জ প্রোটিন এবং কিছু প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। ক্ষুধা কম থাকলেও অল্প পরিমাণে সহজে খাওয়া যায়। ডাল খুব বেশি ঝাল বা তেলযুক্ত না করে পাতলা করে রান্না করে খাওয়াই ভালো।
স্যুপ
ডেঙ্গু হলে শরীরে পানিশূন্যতার ঝুঁকি বাড়ে। তাই পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। হালকা গরম স্যুপ শরীরে পানি, লবণ ও কিছু পুষ্টি যোগাতে পারে এবং দুর্বলতা কমাতে সহায়তা করে। সবজি, মুরগি বা ডাল দিয়ে তৈরি কম মসলাযুক্ত স্যুপ খেতে পারেন। তবে স্যুপের পাশাপাশি পানি, ওরস্যালাইন ও অন্যান্য তরলও গ্রহণ করুন।
এই মুহূর্তের ট্রেন্ডিং আর্টিকেলগুলো
ভাতের মাড়
ডেঙ্গু হলে ভাতের মাড় সহজপাচ্য ও তরলসমৃদ্ধ খাবার হিসেবে খাওয়া যেতে পারে। এটি শরীরে কিছু পানি ও কার্বোহাইড্রেট সরবরাহ করে এবং দুর্বলতার সময় হালকা খাবার হিসেবে উপযোগী। তবে শুধু ভাতের মাড়ের ওপর নির্ভর না করে পানি, ওরস্যালাইন, স্যুপ ও পুষ্টিকর সহজপাচ্য খাবারও গ্রহণ করা উচিত।
লবণ-চিনি মিশ্রিত উপযুক্ত তরল
ডেঙ্গু হলে পর্যাপ্ত তরল পান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লবণ-চিনি মিশ্রিত উপযুক্ত তরল, বিশেষ করে সঠিক অনুপাতে তৈরি ওরস্যালাইন, শরীরে পানি ও প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। অল্প অল্প করে বারবার পান করুন। তবে অতিরিক্ত চিনি বা লবণ মিশিয়ে ঘরে তৈরি পানীয় না খাওয়াই ভালো।
ফলের তরল অংশ
ডেঙ্গু হলে ফলের তরল অংশ, যেমন তাজা ফলের রস বা ডাবের পানি, শরীরে তরল ও কিছু প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে। তবে অতিরিক্ত মিষ্টি জুসের পরিবর্তে তাজা ও কম মিষ্টি পানীয় বেছে নেওয়া ভালো। ফলের রস ওরস্যালাইনের বিকল্প নয়।
২. ফলমূল

ডেঙ্গুর সময় সহজে খাওয়া যায় এমন ফল খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। যেমন:
- কমলা
- মাল্টা
- পেয়ারা
- আপেল
- কলা
- পাকা পেঁপে
- ডালিম
- তরমুজ
ফল থেকে পানি, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন ও বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। তবে কোনো একটি ফলকে ডেঙ্গুর “প্লেটলেটের ওষুধ” হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক নয়।
৩. পাকা পেঁপে

পাকা পেঁপে ডেঙ্গু রোগীর খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। এটি নরম, সহজে খাওয়া যায় এবং বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে। তবে পাকা পেঁপে খেলেই প্লেটলেট দ্রুত বেড়ে যাবে – এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। এখানে পেঁপে ফল এবং পেঁপে পাতাকে আলাদা করে দেখা গুরুত্বপূর্ণ।
পেঁপে পাতার রস কি প্লেটলেট বাড়ায়?
ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে পেঁপে পাতার রস বা Carica papaya leaf extract নিয়ে অনেক আলোচনা রয়েছে। কিছু গবেষণায় পেঁপে পাতার নির্যাস গ্রহণকারী রোগীদের প্লেটলেট বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্ক পাওয়া গেছে।
কিন্তু গবেষণার সামগ্রিক প্রমাণ এখনো এমন পর্যায়ে নেই যে পেঁপে পাতার রসকে ডেঙ্গুর প্রমাণিত চিকিৎসা বলা যায়। একটি systematic review-তে প্লেটলেট বৃদ্ধির সম্ভাবনা পাওয়া গেলেও গবেষণার মান ও ক্লিনিক্যাল উপকারিতা নিয়ে সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করা হয়েছে।
তাহলে পেঁপে পাতার রস কি খাওয়া যাবে?
নিজে থেকে প্রচুর পরিমাণে পেঁপে পাতার রস খাওয়া বা চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী, কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকা ব্যক্তি কিংবা অন্য ওষুধ গ্রহণকারী রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো হারবাল প্রস্তুতি গ্রহণ না করাই নিরাপদ। প্লেটলেট বাড়ানোর আশায় পেঁপে পাতার রস খেয়ে চিকিৎসা বা পর্যবেক্ষণ বন্ধ করা সবচেয়ে বড় ভুল।
৪. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার

শরীরের পুনরুদ্ধারের জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিন প্রয়োজন। রোগী যদি খেতে পারেন, তাহলে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন:
- ডিম
- মাছ
- মুরগি
- ডাল
- ছোলা
- দুধ বা দই
সহজে হজম হয় এমন ভাতের সঙ্গে পাতলা ডাল ও মাছ খাওয়া যেতে পারে। ডিমও ভালো প্রোটিনের উৎস। তবে বমি বা পেটের অস্বস্তি থাকলে একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার খাওয়া সুবিধাজনক।
৫. শাকসবজি

পালং শাক, লাউ, পটল, ঝিঙে, গাজর, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি রান্না করা সবজি খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। ডেঙ্গুতে শরীর দুর্বল থাকায় খুব ঝাল, অতিরিক্ত তেলযুক্ত বা ভারী রান্নার পরিবর্তে সহজপাচ্য খাবার বেশি উপযোগী।
ডেঙ্গুতে কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন?
ডেঙ্গু হলে খাবারের পাশাপাশি কিছু ওষুধ ও অভ্যাসের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
এসপিরিন ও আইবুপ্রোফেন এড়িয়ে চলুন
জ্বর বা শরীর ব্যথার জন্য নিজের ইচ্ছায় এসপিরিন (aspirin) বা আইবুপ্রোফেন (ibuprofen) খাওয়া উচিত নয়। এগুলো রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। জ্বর কমানোর জন্য সাধারণত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল (paracetamol) ব্যবহার করা হয়।
অতিরিক্ত ঝাল ও তেলযুক্ত খাবার
বমি বমি ভাব, পেটের অস্বস্তি বা ক্ষুধামন্দা থাকলে অতিরিক্ত ঝাল, ভাজাপোড়া ও তেলযুক্ত খাবার অস্বস্তি বাড়াতে পারে। তাই এ সময় সহজপাচ্য খাবার বেছে নেওয়া ভালো।
অ্যালকোহল
ডেঙ্গুর সময় অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা উচিত। এটি শরীরের পানিশূন্যতা ও অন্যান্য জটিলতার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে।
ডেঙ্গুতে একটি সহজ খাবারের তালিকা
একজন রোগী যদি স্বাভাবিকভাবে খেতে পারেন, তাহলে দিনের খাবার মোটামুটি এমন হতে পারে:
সকালের নাশতা
ডিম + নরম ভাত/রুটি + কলা বা পাকা পেঁপে
মধ্যবর্তি সময়ে
পানি/ডাবের পানি/ORS
দুপুর

ভাত + পাতলা ডাল + মাছ + রান্না করা সবজি
বিকেল
ফল বা হালকা খাবার + পানি
রাতের খাবার
ভাত বা খিচুড়ি + মাছ/ডিম + সবজি
সারাদিন
পর্যাপ্ত তরল, তবে রোগীর অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
কখন দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে?
ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে খাবারের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো বিপদের লক্ষণ দ্রুত শনাক্ত করা।
নিচের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে:
- তীব্র পেটব্যথা বা পেটে চাপ দিলে ব্যথা
- বারবার বমি
- নাক বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া
- বমিতে রক্ত
- পায়খানায় রক্ত
- অতিরিক্ত দুর্বলতা বা অস্থিরতা
- দ্রুত শ্বাস নেওয়া
- অতিরিক্ত তৃষ্ণা
- ফ্যাকাশে বা ঠান্ডা ত্বক
- প্রস্রাব কমে যাওয়া
- অস্বাভাবিক ঘুম ঘুম ভাব বা আচরণে পরিবর্তন
বিশেষ করে জ্বর কমে যাওয়ার পর এসব লক্ষণের দিকে বেশি নজর দিতে হবে। কারণ ডেঙ্গুর সংকটপূর্ণ অবস্থা সাধারণত জ্বর শুরু হওয়ার কয়েক দিন পর এবং জ্বর কমার সময়ের আশেপাশে দেখা দিতে পারে।
শেষ কথা
ডেঙ্গুতে প্লেটলেট কমে যাওয়া স্বাভাবিক বিষয় হতে পারে। তাই শুধু প্লেটলেটের সংখ্যা দেখে আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত CBC ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো গুরুত্বপূর্ণ।
প্লেটলেট বাড়ানোর জন্য কোনো ম্যাজিক খাবার নেই। পর্যাপ্ত পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট, পুষ্টিকর খাবার, প্রোটিন, ফলমূল, সবজি এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীরের স্বাভাবিক আরোগ্যলাভে সহায়তা করে। ডেঙ্গুর কোনো নির্দিষ্ট এন্টিভাইরাল (antiviral) চিকিৎসা নেই; চিকিৎসার মূল ভিত্তি হলো পর্যাপ্ত যত্ন এবং গুরুতর হওয়ার লক্ষণ দ্রুত শনাক্ত করা।
পেঁপে পাতার নির্যাস নিয়ে কিছু গবেষণায় প্লেটলেট বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা গেলেও প্রমাণ এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। তাই এটিকে চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো – ডেঙ্গুতে লক্ষ্য শুধু প্লেটলেট বাড়ানো নয়; রোগীকে নিরাপদ রাখা, পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করা এবং গুরুতর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া।
✍️ লেখক: সালাহউদ্দিন আহমেদ আজাদ
📅 সর্বশেষ হালনাগাদ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
📚 তথ্যসূত্র: PubMed | WHO | NIH | CDC
মেডিকেল ডিসক্লেইমার:
এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। বিভিন্ন স্বীকৃত জার্নালে প্রকাশিত গবেষণার ভিত্তিতে পাঠকদের সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপনে সহায়তার উদ্দেশ্যে এই আর্টিকেলটি লেখা হয়েছে। এটি কোনোভাবেই ডাক্তারি পরামর্শ নয়। ব্যক্তিগত শারীরিক সমস্যা, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার জন্য অবশ্যই যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।








